মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ অক্টোবর ২০২০

চলমান প্রকল্পসমূহ

চলমান প্রকল্প সমূহ

 

 

 

 

 

চলমান প্রকল্প সমূহ

 

১)         বরেন্দ্র এরাকায় পাতকুয়া খননের মাধ্যমে স্বল্প সেচের ফসল উৎপাদন প্রকল্প (জুলাই'২০১৬-জুন'২০২১),

            প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় ৪৭৪৪.২৫ লক্ষ টাকাসংশোধিত ৫৩৪৮.৩৮ লক্ষ টাকা : :

                প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

   ক) ৪৫০টি পাতকুয়া খনন করে প্রায় ১৩৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ।

                খ) ৩৭৫০ জন গ্রামীণ জনসাধারনকে পানি সরবরাহ করা।

               গ) ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমিয়ে ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার।

                ঘ) প্রকল্প এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য উন্নয়ন করা।

(লক্ষ টাকায়)

কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা (ডিপিপি অনুযায়ী)

অগ্রগতি

(আগষ্ট-২০২০ পর্যন্ত)

২০২০-২০২১ বছর

ক্রমোপুঞ্জিভুত অর্থিক (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

এডিপি বরাদ্দ

অর্থ ছাড়

ব্যয় (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

১) পাতকুয়া খনন  (টি)

৪২০

৪০৭

৫৫০.০০

০০.০০

০০.০০

(০০.০০%)

২১.৮২%

৪৭৯৭.১৫

(৮৯.৬৯%)

৯৩.১১%

 

 

 

২)        রাজশাহী জেলার বাঘা, চারঘাট ও পবা উপজেলায় জলাবদবধতা নিরসন এবং ভূ-পরিস্থ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ প্রকল্প (অক্টোবর'২০১৮-ডিসেম্বর'২০২০),

            প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় ২৫৬০.৫১ লক্ষ টাকা :

                প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

   ক) প্রকল্প এলাকায় ১২৫০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা নিরসন পূর্বক আবাদী জমি বৃদ্ধি এবং ৩৫০ হেক্টর সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের ফলে ১৬০০ হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে ৮৮০০ মে. টন

        অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন।

                খ) পুনঃ খননকৃত খালে ভূ-পরিস্থ পানির সংরক্ষণ, সেচ কাজে ব্যবহার ও ভূ-গর্ভস্থ পানির রিচার্জ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

               গ) পাতকুয়া খননের মাধ্যমে কম পানি গ্রাহী ফসলের চাষ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিমাত্রা ব্যবহার সীমিতকরণ।

                ঘ) সেচ কাজে নবায়নযোগ্য সৌরশক্তি ব্যবহার করা।

(লক্ষ টাকায়)

কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা (ডিপিপি অনুযায়ী)

অগ্রগতি

(আগষ্ট-২০২০ পর্যন্ত)

২০২০-২০২১ বছর

ক্রমোপুঞ্জিভুত অর্থিক (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

এডিপি বরাদ্দ

অর্থ ছাড়

ব্যয় (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

১) খাল পুনঃ খনন (কিঃমিঃ)

২৪

২১.৫০

৩২৬.০০

০০.০০

০০.০০

(০০.০০%)

০০.০০%

২১৬৫.০৫

(৮৪.৫৬%)

৯৬.৬০%

 

 

৩)       ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নাটোর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প  (জুলাই'২০১৯-ডিসেম্বর'২০২৩),

            প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় ১৭৫৫৭.৫২ লক্ষ টাকা :

                প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

ক) খাস মজা খাল পুনঃ খননের মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির জলাধার বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, সেচ কাজে ব্যবহার, ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ হ্রাসকরণ ও রিচার্জ বৃদ্ধিতে সহায়তাকরণ।

খ) ৪৪৭ হেক্টর জলাবদ্ধ জমির পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে কৃষি উপযোগীকরণ।

গ) সৌরশক্তি চালিত এলএলপি স্থাপনের মাধ্যমে সেচ কাজে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও বিদ্যুতের উপর চাপ হ্রাস করা।

ঘ) পাতকূয়া খননের মাধ্যমে  খরা সহিঞ্চু ও কম পানি গ্রাহী ফসল (পেঁয়াজ, রসুন, শশা, বেগুন, শিম, লাউ, কুমড়া, ছোলা, বাঙ্গি ও শাক-সব্জি) উৎপাদন ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিমাত্রা ব্যবহার সীমিতকরণ।

ঙ) ৭২৫৭ হেক্টর জমিতে স্বল্প খরচে পরিকল্পিত ও পরিমিত সেচ প্রদানের মাধ্যমে ৩০৮১৬ মেঃ টন অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন।

চ) ১.৫০ লক্ষ ফলদ ও ঔষধি চারা রোপণের মাধ্যমে অতিরিক্ত বনজ সম্পদ সৃষ্টি, পুষ্টির যোগান বৃদ্ধি ও পরিবেশের উন্নয়নসাধনে সহায়তাকরন।

ছ) আধুনিক কৃষি, সেচ অবকাঠামো, ভূ-গর্ভস্থ/ভূ-পরিস্থ পানির পরিমিত ব্যবহারের উপর ৬০০ জন আদর্শ কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

(লক্ষ টাকায়)

কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা (ডিপিপি অনুযায়ী)

অগ্রগতি

(আগষ্ট-২০২০ পর্যন্ত)

২০২০-২০২১ বছর

ক্রমোপুঞ্জিভুত অর্থিক (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

এডিপি বরাদ্দ

অর্থ ছাড়

ব্যয় (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

১) খাস খাল/খাড়ী পুনঃ খনন (কিঃমিঃ)

১৫৫

 

৫০৭২.০০

০০.০০

০০.০০

(০০.০০%)

২.২৮%

২২৫.০০

(১.২৮%)

২.০১%

২) পাতকুয়া খনন (টি)

৫০

 

৩)  ফুট ওভার ব্রীজ নির্মান (টি)

৩০

 

৪) ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ (টি)

৬০

 

৫)  বৃক্ষরোপন (ফলদ/বনজ/ঔষধি) (টি)

১৫০০০০

২০০০০

 

 

 

 

 

 

৪)        পুকুর পুনঃখনন ও ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচে ব্যবহার (জুলাই'২০১৯-ডিসেম্বর'২০২৩),

            প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় ১২৮১৮.৭৫ লক্ষ টাকা :

 প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

ক) সরকারী খাস মজা পুকুর/দিঘী পুনঃখনন করে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ভূ-গর্ভস্থ পানির  পুনর্ভরণে সহায়তা ও বহুমুখী কাজে ব্যবহারোপযোগী করণ।

খ) বৃষ্টির পানি/ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে 3058 হেক্টর  জমিতে সেচ  প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং 18348 মেট্রিক টন অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন ।

গ) পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে মৎস্য চাষের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং 1088 মেট্রিক টন অতিরিক্ত মৎস্য উৎপাদন।

ঘ) সোলার পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে সেচ কাজে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করা।

ঙ) বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ উন্নয়নে সহায়তা করা।

চ) প্রান্তিক চাষীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।  

(লক্ষ টাকায়)

কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা (ডিপিপি অনুযায়ী)

অগ্রগতি

(আগষ্ট-২০২০ পর্যন্ত)

২০২০-২০২১ বছর

ক্রমোপুঞ্জিভুত অর্থিক (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

এডিপি বরাদ্দ

অর্থ ছাড়

ব্যয় (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

১) সৌরশক্তি চালিত ১.০০কিউসেক এলএলপি ক্রয় (টি)

৮৫

 

৪১১৬.০০

০০.০০

০০.০০

(০০.০০%)

৪.২৮%

২২৫.০০

(১.৭৬%)

৩.৪৪%

২) পুকুর পুনঃ খনন (টি)

৭১৫

 

৩)  দিঘী পুনঃ খনন (টি)

১০

 

৪) ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ (টি)

৮০

 

৫)  বৃক্ষরোপন (ফলদ/বনজ/ঔষধি) (টি)

১৫০০০০

১২০০০

 

 

 

 

৫)      ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে বৃহত্তর রংপুর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্  (অক্টোবর'২০১৯- ডিসেম্বর'২০২৪

প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় ২৫০৫৬.৬৩ লক্ষ টাকা :

 প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

ক) খাল/বিল/পুকুর পুনঃ খননের মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণকরে  ১০২৫০ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান ও ৮৩,৪০০ মেট্রিকটন অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন;

খ) জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে ৩৫০ হেক্টর জমি কৃষি উপযোগী করণ;

গ) সৌর শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেচ কাজে নবায়ন যোগ্য শক্তির ব্যবহার;

ঘ) পাতকুয়া খননের মাধ্যমে স্বল্প পানি-গ্রাহী ফসল উৎপাদন।

ঙ) ২.৩০ লক্ষ ফলদ,বনজ ও ঔষধি চারা রোপণ করে অতিরিক্ত বনজ সম্পদ সৃষ্টি ও পরিবেশ উন্নয়নে সহায়তা করা।

 (লক্ষ টাকায়)

কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা (ডিপিপি অনুযায়ী)

অগ্রগতি

(আগষ্ট-২০২০ পর্যন্ত)

২০২০-২০২১ বছর

ক্রমোপুঞ্জিভুত অর্থিক (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

এডিপি বরাদ্দ

অর্থ ছাড়

ব্যয় (%) এবং ভৌত অগ্রগতি %

১) খাস খাল/খাড়ী পুনঃ খনন (কিঃমিঃ)

২৩০

 

৪০৪১.০০

০০.০০

০০.০০

(০০.০০%)

০০.৯৯%

২২৫.৭৬

(০.৯০%)

১.২০%

২) বিল পুনঃ খনন (টি)

১১

 

৩)  পুকুর পুনঃ খনন (টি)

১১৮

 

৪) ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ (টি)

১৩০

 

৫)  বৃক্ষরোপন (ফলদ/বনজ/ঔষধি) (টি)

২৩০০০০

৩১০০০

 


Share with :

Facebook Facebook